পুলিশের বাধার মুখেও নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুতের মিছিল গুলিবিদ্ধ ১০ আটক অর্ধশতাধিক
আজকালের খবর প্রতিবেদক
রাজধানীর জুমার নামাজের পর পুলিশের বাধার মুখেও মিছিল করেছে নিষিদ্ধঘোষিত উগ্রপন্থী সংগঠন হিযবুত তাহরীর সদস্যরা। পুলিশ তাদের মিছিলে বাধা দিলে হিযবুত সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ৪-৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এতে ১০ হিযবুত সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে অর্ধশতাধিক হিযবুত তাহরীর সদস্যকে আটক করে পুলিশ। আটকদের মধ্যে যে কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেনÑ খালেদ, মুগ্ধ, মুহিম, খোরশেদ, জনি, রুবেল, মিরাজ, হাফিজ, সালমান, রেজওয়ান, শাহাবুদ্দিন, আজাদ এবং রাকিব। আটকদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের লিফলেট ও কাফনের কাপড় পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানায়। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পরেই রাজধানীর প্রেস ক্লাব, হাইকোর্ট, সেগুন বাগিচা, কার্পেট গলি, ফকিরাপুল কালর্ভাট রোড, বায়তুল মোকাররম, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা বিক্ষিপ্তভাবে মিছিল করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজের পর দুপুর পৌনে ২টার দিকে সেগুনবাগিচার গলি এবং হাইকোর্টের দিক থেকে পৃথক পৃথকভাবে আসা ৫০-৬০ জন হিযুবত তাহরীর সদস্য প্রেস ক্লাবের সামনে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিতে গেলে তারা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এ সময় হিযবুত সদস্যারাও মারমুখী হলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পুলিশ। এ সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে হিযবুত সদস্যরা সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গলি দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ এ সময় দুপাশ থেকে ধাওয়া করলে বেশ কিছু হিযবুত সদস্য ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়ত হলে ঢুকে পড়ে। এ সময় পুলিশ চার দিক ঘিরে ফেলে ওই ভবনটি লক্ষ্য করে ৩-৪ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। পরে ডিআরইউ ভবনের ভেতর থেকে তল্লাশি চালিয়ে হিযবুত তাহরীর সদস্য সন্দেহে ১৪ জন আটক করে। এর কিছুক্ষণ পরেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে ডিআরইউর ভবনে জোরপূর্বক ঢুকে হিযবুত সদস্য সন্দেহে আরো এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যায়। একই সময় ফকিরাপুল কালভার্ট রোডে দিগন্ত টিভি ভবনের সামনে ৩০-৪০ জন হিযবুত তাহরীর সদস্য কাফনের কাপড় পরে সমবেত হয়ে মিছিল শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশের গুলি মুখেও তারা মিছিল করতে থাকে। একপর্যায় অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এখান থেকে পুলিশ ছয় হিযবুত সদস্যকে কাফনের কাপড়সহ আটক করে। এ ছাড়াও বারডেম হাসপাতাল উত্তর গলি, কার্পেট গলি, হোটেল ডিলাক্স গলি, হাইকোর্ট, গণপূর্ত ভবন ও কদম ফোয়ারার সামনে থেকে বিক্ষিপ্তভাবে ২৮ জনকে আটক করা হয়। পুলিশ এ সময় ওই এলাকার বিভিন্ন ভবনে উঠে তল্লাশি চালায়। হিযবুত তাহরীর সদস্যদের আটকের প্রতিবাদে মিছিলের আরেকটি অংশ দুপুর ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের পাশে ডন প্লাজায় আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এখান থেকে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শিবলি নোমান বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল শুক্রবার তারা (হিযবুত তাহরীর) ম?ুক্তাঙ্গন বা অন্য কোনো স্থানে সমাবেশ করতে পারে। তবে জুমার নামাজের পরপরই আমরা জানতে পারি তারা প্রেস ক্লাব এলাকায় মিছিল করবে এবং এর কিছু সময় পরেই তারা বিভিন্ন গলি দিয়ে এসে প্রেস ক্লাব এলাকায় জড়ো হতে থাকে। পুলিশ তাদের সরে যেতে বললে, তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। এর জবাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
- See more at: http://www.ajkalerkhobor.com/2013/12/28/120269.html#sthash.dbm6ivZ6.dpufরাজধানীর জুমার নামাজের পর পুলিশের বাধার মুখেও মিছিল করেছে নিষিদ্ধঘোষিত উগ্রপন্থী সংগঠন হিযবুত তাহরীর সদস্যরা। পুলিশ তাদের মিছিলে বাধা দিলে হিযবুত সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ৪-৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এতে ১০ হিযবুত সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে অর্ধশতাধিক হিযবুত তাহরীর সদস্যকে আটক করে পুলিশ। আটকদের মধ্যে যে কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেনÑ খালেদ, মুগ্ধ, মুহিম, খোরশেদ, জনি, রুবেল, মিরাজ, হাফিজ, সালমান, রেজওয়ান, শাহাবুদ্দিন, আজাদ এবং রাকিব। আটকদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের লিফলেট ও কাফনের কাপড় পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানায়। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পরেই রাজধানীর প্রেস ক্লাব, হাইকোর্ট, সেগুন বাগিচা, কার্পেট গলি, ফকিরাপুল কালর্ভাট রোড, বায়তুল মোকাররম, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা বিক্ষিপ্তভাবে মিছিল করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজের পর দুপুর পৌনে ২টার দিকে সেগুনবাগিচার গলি এবং হাইকোর্টের দিক থেকে পৃথক পৃথকভাবে আসা ৫০-৬০ জন হিযুবত তাহরীর সদস্য প্রেস ক্লাবের সামনে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিতে গেলে তারা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এ সময় হিযবুত সদস্যারাও মারমুখী হলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পুলিশ। এ সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে হিযবুত সদস্যরা সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গলি দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ এ সময় দুপাশ থেকে ধাওয়া করলে বেশ কিছু হিযবুত সদস্য ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়ত হলে ঢুকে পড়ে। এ সময় পুলিশ চার দিক ঘিরে ফেলে ওই ভবনটি লক্ষ্য করে ৩-৪ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। পরে ডিআরইউ ভবনের ভেতর থেকে তল্লাশি চালিয়ে হিযবুত তাহরীর সদস্য সন্দেহে ১৪ জন আটক করে। এর কিছুক্ষণ পরেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে ডিআরইউর ভবনে জোরপূর্বক ঢুকে হিযবুত সদস্য সন্দেহে আরো এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যায়। একই সময় ফকিরাপুল কালভার্ট রোডে দিগন্ত টিভি ভবনের সামনে ৩০-৪০ জন হিযবুত তাহরীর সদস্য কাফনের কাপড় পরে সমবেত হয়ে মিছিল শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশের গুলি মুখেও তারা মিছিল করতে থাকে। একপর্যায় অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এখান থেকে পুলিশ ছয় হিযবুত সদস্যকে কাফনের কাপড়সহ আটক করে। এ ছাড়াও বারডেম হাসপাতাল উত্তর গলি, কার্পেট গলি, হোটেল ডিলাক্স গলি, হাইকোর্ট, গণপূর্ত ভবন ও কদম ফোয়ারার সামনে থেকে বিক্ষিপ্তভাবে ২৮ জনকে আটক করা হয়। পুলিশ এ সময় ওই এলাকার বিভিন্ন ভবনে উঠে তল্লাশি চালায়। হিযবুত তাহরীর সদস্যদের আটকের প্রতিবাদে মিছিলের আরেকটি অংশ দুপুর ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের পাশে ডন প্লাজায় আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এখান থেকে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শিবলি নোমান বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল শুক্রবার তারা (হিযবুত তাহরীর) ম?ুক্তাঙ্গন বা অন্য কোনো স্থানে সমাবেশ করতে পারে। তবে জুমার নামাজের পরপরই আমরা জানতে পারি তারা প্রেস ক্লাব এলাকায় মিছিল করবে এবং এর কিছু সময় পরেই তারা বিভিন্ন গলি দিয়ে এসে প্রেস ক্লাব এলাকায় জড়ো হতে থাকে। পুলিশ তাদের সরে যেতে বললে, তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। এর জবাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
পুলিশের বাধার মুখেও নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুতের মিছিল গুলিবিদ্ধ ১০ আটক অর্ধশতাধিক
আজকালের খবর প্রতিবেদক
- See more at: http://www.ajkalerkhobor.com/2013/12/28/120269.html#sthash.dbm6ivZ6.dpufhttp://www.djanata.com/index.php?ref=MjBfMTJfMjhfMTNfMV8xXzFfNTEyNDk=
http://www.ajkalerkhobor.com/2013/12/28/120269.html
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন